PRIMARY LESSON AIDS

জাপানে কিছুদিন,

সেদিন ছিল ৯ই জুলাই উদয় টাওয়ারের ৭ম তলা। সকাল বেলায় এসে লিফটে চড়ে বাঙ্গালী বিভিন্ন জেলার বন্ধুদের সাথে কুশল বিনিময় করলাম একটু পড়েই চোখে পড়ল সুন্দরী প্যান্ট শার্ট পরা বয়কাট করা ষাট অনুর্ধ্ব মহিলা। বুঝতে দেরী হয়নি তিনি জাপানী। স্পষ্ট বোধগম্য ইংরেজি বলায় সব কথাই বুঝা যায়, প্রথমেই পরিচিতি পর্ব, তারপর জাপান যাব বুঝতেই পারছেন অন্য রকম অনুভব। ভাষা নেই কি করে বুঝাব? তবুও হয়তো একটু আঁচ করতে পারবেন। তারপর ব্রিফিং চলল কিভাবে জাপান জীবন যাত্রা চলাব সে সম্পর্কে। ভাষা শিক্ষার ক্লাস প্রথমে তারপর রেকর্ডকৃত ভিডিও দেখার পালা। অবাক চোখ অবাক হয়েই দেখে যেন চোখের পাতা পরে না। এভাবেই চলল আরও ২দিন। এরই মধ্যে একদিন যেতে হল I.D.B ভবনে সেখানে আমাদের অধিদপ্তরের লোক ছাড়াও মন্ত্রণালয়ের লোক ছিল পার্টি দেওয়া হয়েছিল তার পর মন্ত্রণালয়ে। সেখানে ব্রিফিং কিভাবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করব জাপানে। দেখতে দেখতে চলে এলো প্রতিক্ষার প্রহর। ১২ই জুলাই সকাল বেলায় চলে এলাম উদয় টাওয়ারের সম্মুখে একে একে সবাই আসল। ফিওনা আপা পার্সপোর্ট ও বিমানটিকেট দিল হাতে সেখান থেকে JICA গাড়িতে ঢুকলাম বিমান বন্দরে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, এটাই আমার প্রথম পদার্পন প্রথম দেখা। মাঝেমাঝে অভিভূত হতাম ‘সত্যিই কি জাপান যাচ্ছি’! হাছেগাওয়া সান মুরগির ছানার মত আমাদের ডানায় ঝাপটে নিয়ে চলল। ইমিগ্রেশন পার হয়েই দেখি বিমানের উঠা নামা কিছুক্ষণপর আমাদের TG-3 বিমানের যাত্রীদের ডাক পড়ল। হেঁটে হেঁটে চললাম বিমানের দিকে ভিতরে ঢুকে সীটে বসলাম। কি সে আপ্লুত হলাম আকাশ যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে সূযোর্দয়ের দেশে। কিছুক্ষণ পরই উড়ার পালা। সেফটি বেলট দিতে নির্দেশনা দিল। তারপরই রানওয়েতে বিমান দৌড়াচ্ছে দৌড়াচ্ছে একসময় উড়লাম নিচের সবকিছু যেন আস্তে আস্তে ছোট হয়ে অদৃশ্য হতে লাগল। তারপর খাবার পালা বিমান বালারা খাবার নিয়ে এল ট্রলীতে করে। বাঙালী খাবার তারপরও অন্যরকম কিছুটা খেলাম। টয়লেট পেল বিমানের একেবারে লেজে টয়লেট। আড়াই ঘন্টা পর আসলাম থাইল্যান্ড ব্যাংকক বিমান বন্দরে। ম্যাম এক এক করে সবাইকে নামিয়ে নিয়ে গেল বিমান বন্দর সংলগ্ন হোটেলে। ভিতরে গিয়ে কাপড় চেইঞ্জ করে একটুনীচে এসে সব ঘুরে ঘুরে দেখছি বিভিন্ন দোকান পাট। সব কিছুর মূল্য লেখা বাথ দিয়ে। সে এক নতুনত্ব অনন্য। এত অনাবিল আনন্দের মাঝে হারিয়ে যাই। রাত ১২টায় আবার ফ্লাইট কাজেই দ্রুত কাপড় চোপড় পড়লাম কারণ আবার বিমানে চড়ব। দেখতে দেখতে সময় চলে এল ছোট একটা ব্যাগ নিয়ে চললাম কারণ বড়টি আগেই পাঠানো হয়েছে পাব গিয়ে জাপান। ইমিগ্রেশন পার হয়ে বিমান। চড়লাম সিটে চেপে বসেই দেখলাম বিমান বালা অন্য; বিমানটাও আগের চেয়ে বড় এবং উন্নত। ম্যাগাজিন পড়ছি ছবি দেখছি গান শুনছি ইয়ার ফোনে। মাঝ রাতে একটু একটু শীত। চাদরটা টেনে গায়ে দিলাম। সিচের পাশেই কুলন আর চাদর প্যাকট ছিল। ভোর হতে না হতেই নাস্তা। হাত-মুখ মুছার জন্য গরম টাওয়েল তারপর নাস্তা। আমরা জাপানের প্রায় সন্নিকটে নিচে নদীগুলো রেখার মত লাগছে। এভাবে একটু একটু করে এগুতোই বিমানে বেল্ট বাধার নির্দেশনা তার মানে বিমান ল্যান্ড করবে। Osaka কানসাই Airport ল্যান্ড করলেই নামছি জাপান। বিমান থেকে নামার পর ছোট্ট একটা ট্রেন এটা Airport এপাশ থেকে ও পাশে নিয়ে যায়। উঠে রিং ধরে দাঁড়ালাম দরজা automaticly লেগে যায় এক নিঃশ্বাসে নিয়ে এল। চলন্ত সিড়ি বেয়ে নিচে নামতেই ম্যাম বলল Take your lougase আমরা আমাদের লাগেজ নিলাম। ম্যাম বলল ডলার change করতে আমরা একে একে ব্যাংক থেকে করে নিলাম। বাথরুম সারতে বলল তাও শেষ করলাম। JICA পতাকা নিয়ে দাড়িয়ে আছে আমাদের পিকআপ করতে দুটো বাস। প্রথম দলের জন্য প্রথম বাস ২য় দলের আরও বাস। আমি ১ংঃ গ্রুপের তাই প্রথমে রাখা বাসটিতে চেপে বসলাম। গধস রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে জাপান সম্পর্কে ধারণা দিল। অরৎঢ়ড়ৎঃ প্রশান্ত মহাসাগরে আর্টিফিশিয়াল দ্বীপের ওপর করা। খুব সুন্দর নীট ্ পষবধহ. দশ বছর পূর্বে করা হয়েছে। রাস্তা ধরে যাচ্ছি আর চারদিক গলা উঁচুকরে দেখছি আবিরাম অকান্ড ভ্রমণ পিপাস মন নিয়ে। একটু পর পরই টহফবৎ মৎড়ঁহফ রাস্তা। সে দিন ছিল ১৩ই জুলাই সকাল বেলা। অক্লান্ত বাস দ্রুত ছোটে চলে পৌছে গেল JICA ভবন। নেমে গেলাম ব্রিফিং জড়ড়স. জড়ড়স শবু দেওয়া হল ওহফরারফঁধষষু কখন নাস্তা কোথায় কাপড় কাঁচা ঙঝঅকঅ ঈওঞণ গঅচ ইত্যাদি। সেদিনকার মতো রুমে গেলাম সব কিছু নতুনত্ব। রুমটা ছিল গোছালো সামনে বিরাট বারান্দা বাথটার আলমিরা, জুতা, টেলিফোন, টেবিল ঘড়ি এর্লাম বাজানোর জন্য টেলিভিশন আর একাকিত্ব। সামনে শুধু পাহাড়ে ছায়া ঢাকা ঘন বন যেন সুদূরের আকাশটা কে হাত ছানি দিয়ে ডাকছে শান্ত অঞ্চল কিযে অদ্ভুত ভাষা নেই লেখনিতে। রুমের ঢুকলেই দরজা অটোলক রুমকি রেখে বাইরে আসলেই বুঝতেই পারছেন বিপদ কত? পড়ন্ত বেলায় ভাবলাম একটু বাইরের আকাশটাকে দেখি। গেইট পার হওয়া নিয়ে একটু চিন্তা; ভাবিনি পা রাখলেই দরজা খুলবে। বের হতেই কে কিতর থেকে হাত দিয়ে ডেকে কাছে আসতে বলছে খাগি চষবধংব”। তারপর চাবিটা হাতে তুলে দিলাম। নিপ্পনের আকাশটাকে একনজর দাঁড়িয়ে দেখছি আবার এদিক ওদিক। তারপর পথ ধরে কতক হাঁটছি। চোখভরে স্বপ্নময় জগৎটাকে দেখলাম। আর ভাবছি এরা কতনা সভ্যজাতি। রাস্তা ব্লক করে বাউলি ধারায় হেঁটে হেঁটে যাচ্ছি হঠাৎ পেছন ফিরে দেখি সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে ভদ্র লোক। কিছু বলছেন না লজ্জা পেলাম বটে। তারপর লাইন ধরলাম বন্ধুরা মিলে। আবার এলাম ফিরে JICA ভবনে কারণ সন্ধ্যা নেমে আসছে। খাবার খেতে হবে বন্ধা ৬টায় কিন্তু রান্নাঘর অর্থাৎ ডাইনিং সুগন্ধি যাকে আসলেই পেট ভরে খাচ্ছে কিছুই খেতে পাচ্ছিনা কি করব? তবুও খেতে গেলাম জীবন বাঁচাতে। ঘুম আসছে না রাতের পার্থক্যতার কারণে তবুও এপাশ ওপাশ করে রাত কাটাচ্ছি কি করব আর। পরদিন ১৪/০৭/০৫ ইং সকালে উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান। বিভিন্ন বিভাগ থেকে দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা এল পাকিস্তানী সৌদী বন্ধুরা এল। তবে আলাদা আলাদা দল শুধু ঙঢ়বহরহম পবৎবসড়হু এবং ঋধৎব বিষষ ঢ়ধৎঃু কমভাইন্ড তাছাড়া সবই আলাদা হবে। ঙঢ়বহরহম পবৎবসড়হু তে ওহঃৎড়ফঁপরহম ঝহধঢ়ব নেওয়া হল এৎড়ঁঢ় ভিত্তিক তারপর মধ্যাহ্ন বিরতি তারপর দৈনিক ঝপযবফঁষব ঈষধংং নেওয়া হল। খধহমঁধমব পষধংং চলবে একটানা তিন দিন। ইতিমধ্যে পাকিস্তানী এক ঋৎরবহফ “জারওয়ার” সঙ্গে প্রায়ই দেখা হয় হায় হ্যালো বলি। মাঝে মধ্যে লিফটে করিডোরে সাক্ষাত মেলে। কেমন যেন অবাক চোখে তাকিয়ে দেখে নিজেকে খুব লাজুক বলে মনে হয় এখন। কারণ সে রুম নাম্বার নিয়ে প্রায়ই কথা বলত “হাম তুমছে পেয়ার করতি হো” আমি তা কে বুঝাতাম আমরা বাঙালী খুব সমালোচনায় মুখর ঙভ ুড়ঁৎ সববঃ রিঃয সব ধহফ ঃযবু পধহ ংবব ধভঃবৎ ভরহরংযরহম ঃহধাবষষরহম ঃযরং রং ঃযব সঁৎস যধঢ়ঢ়বহবফ ভড়ৎ সব ধহফ সু াড়ন সে সহজেই বুঝতে সক্ষম হয়েছিল। তবে না বললে একান্তর হয় হয়ে যায় আমারও ভাল লেগেছিল কিন্তু ভাল বাসা আর ভাললাগা তো একনয়। পাছে এর প্রতিক্রিয়া কিহবে ভেবে ----। তবে কথা ছিল ঋরহরংযরহম ফধু তে দু’জনে বেড়াতে যাব এটাই শেষ ইচ্ছা তার। আমি ও সাই দিলাম। এরই ফাকে জাপানী খবংংড়হ এর পাঠ চুলেগেল। সেদিন ছিল ০৫ই তারিখ ভিভিউলে লেখা ভালোন্টিয়ার ডরঃয বীবৎপরংব ভেবেছি ব্যায়ামের ক্লাস হবে হয়তো কিন্তু বাস্তব অন্যটা আনন্দ ছিল অফুরন্ত কিন্তু ভয় পিছু নিত সবকিছুতে। কি যে হয় ভেবে। বড় হল ঘরে নিয়ে এল কোঅরডিনেটর। এসে দেখলাম প্রচুর যুবক, যুবতি ভাবলাম এখন কি হবে? রহস্যের অন্ত নেই শুনি নাম্বর অনুসারে গাইডার খুজে নিতে হবে আমিও নাম্বার নিয়ে গাইডার খুজেঁ নিলাম। ওহঃৎড়ফঁপব করলাম একে অপর। কোথায় কি করব? এর মধ্যে ওহভড়ৎস করা হলো কোবে ওসাকা, কিউতো, এই তিনটা শহরে গাইডার কে নিয়ে ঘুরতে পারব? তবে শহর বেছে নিতে হবে যে কোন একটা। আমি প্রথমে দূরত্ব শুনতে চেষ্টা করছি। এর মধ্যে বলা হলো এবং ম্যাপ দেওয়া তিনটি শহরের। কোবে অনেক দূরের যাত্রা এবং ব্যয়বহুল তবে সুন্দর। আর কিউটো ঐ দিন খুব ব্যস্ত ছিল ঋবংঃুনষব এর জন্য। তাহলে বাধ্য ওসাকা যেতে। আমরা অবশ্য ওসাকা শহরের একাংশে বাস করছি JICA ভবনে। JICA থেকে কিছু সামনে ইবারাকি স্টেশন সেখানে JICA বাস যায়। ঞরসবষু বিরতি দিয়ে আবার আসে তবে অনেক বাস আছে একটার পর একটা। তবে সাধারণ যাত্রীদের জন্য নহে শুধুমাত্র JICA সেন্টারে বসবাস রত ঞৎধরহু জন্য। আমাদের কে ইতিমধ্যে ঘধসব ঈধৎফ ওউ পধৎফ, গবফরপধষ ঈধৎফ প্রত্যেককে দেওয়া হয়েছে তাছাড়া পাসপোর্ট তো আছেই। এখন ঙঝঅকঅ তেফেন দেখতে রওয়ানা দিলাম খাগড়াছড়ি পাইবই মার মাকেও সাথে নিলাম সঙ্গে ৪ জনের ডাইভার কেননা পাছে ভয় যদি বা পথ হারাই বা কোথাও নিয়ে যায়। সে আতঙ্ক । প্রথমে JICAর বাসে করে ইকরাকী স্টেষন তারপর রেলস্টেন গিয়ে প্রথমে টিকেন কাটলাম তারপর নিচে নামলাম প্লাটফর্মে একটু পর ট্রেন আসল। এবারের মত প্রথম ট্রেনে চড়া জাপানে এসে। ট্রেনে সব যাত্রীরাই ছিল জাপানী। অলস যাত্রায় অনেকে সিটে ঝিমুচ্ছে কেউ বই বা চধঢ়বৎ পড়ছে। আবার কেউ রিংধরে মাঝখানে এদিক ওদিক ঝুলছে। ভালই এ্যাডভ্যাসার যাত্রীদের মাঝে মাঝে দেখি। দেখতে দেখতে গন্তব্যে এসে পড়লাম। ট্রেন প্লাটফর্মে আসলে অটোমেটিক দরজা খুলে যায়। তারপর নামলাম ট্রেন থেকে। স্টেশন থেকে কিছু দূরে ওসাকা ক্যাফেন। তাই হেঁটে হেঁটে চললাম। ডাইভার আমাকে জিজ্ঞাসা করল অৎব ুড়ঁ ড়শ? আমি বললাম ড়শ সে বলল খঁহপয এর সময় খঁহপয করবে ? বললাম ঝহধপশ জাতীয় কিছু খাব। পথিমধ্যে সে জিজ্ঞাসা করল তোমার ভাষায় ণবং আমি বললাম হ্যাঁ ধহফ ঘড় না সে বলল হ্যাঁ না জাপানী গবধহ’ং ফুল। সে আঙ্গুল দিয়ে থিয়েটার দেখাল দেখতে ও বলল। আমি না করলাম কারণ জাপানে সব কিছুই ব্যয় বহুল। রেস্টুরেন্টে আসলাম একটু জবষধী আর খাওয়ার জন্য কিন্তু খাবার ঝসবষঃ আসতেই উদর পুর্তি হয়ে ওঠল কি খাব ভেবে পাচ্ছি না তাই একগ্লাস গরলঁ আর পাউরুটি মত হবে কি একটু খেলাম শুধু বেঁচে থাকা আর হাটার শক্তির জন্য। সাথে পাই ও আছে তারপর ক্যাফেলের দিকে পা বাড়ালাম। ওখানে পৌঁছানোর পর দেখি আর বাঙ্গালী বন্ধুরা নিজ নিজ গাইডের সঙ্গে। ক্যাসেল দেখতে অপূর্ব সুন্দর ৬০০ ইয়েন দিয়ে টিকেট সর্বশেষ তলায় গিয়ে নিচে দৃশ্য এবং ঙঝঅকঅ শহরটি উপভোগ করলাম। তারপর ট্যাক্সি করে অন্যত্র বেড়ানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে রবিউন ভাইকে বললাম। সে পরক্ষণে অনেক ব্যয় বহুল ট্যাক্সি ভাড়া। বুঝতে পেরে আর যাইনি ক্যাসেলের এপাশ ও পাশ ঘুরে সুন্দর সুন্দর মাছ লেকের পাশে দেখলাম তারপর ব্যান্ড পার্নির গাওয়া গান শুনলাম। রাস্তার পাশে পাগল করা সুরে গাইছে পরখ করে শুনলাম। তারপর হেটে হেটেঁ আবার রেল স্টেশন। প্লাট ফর্মে এসে রেলে চেপে আবার ইবারকি স্টেশন। প্লাট ফর্মে দেখতে পেলাম JICA র গাড়ি নেই। হিয়াকুর ঝযড়ঢ় এ গিয়ে সামান্য দুই একটা কেনা কাটা করলাম। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতেই JICA বাস এসে পড়ল। বাসে যেপে JICA গেলাম। ঐদিনের কার্যক্রম এখাইে সমাপ্তি। অন্যান্য বন্ধুদের কাছে তাদের বিভিন্ন স্থানের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা বিনিময় করলাম। ঝযড়ঢ়ঢ়রহম দেখলাম সবার রুমে যেয়ে। পরদিন লাগেজ ডাউন সকাল সাতটায়। ঐ দিন ফ্রি ছিল। বন্ধুদের সাথে হাটতে হাঁটতে প্রচন্ড রোদে হেঁটে একটা মেগা ঝযড়ঢ় এ গিয়েছিলাম। পথিমধ্যে ধান ক্ষেত, রাস্তা মেরামত, ট্রাফিক পুলিশ ও দেখেছি। ঝযড়ঢ় এ সামান্য ঝযড়ঢ়ঢ়রহম করেছি। * গড়াব ঃড় ঋঁশঁর ভৎড়স ঙংধশধ* ট্রেনে চেপে ফুকুই। দীর্ঘ যাত্রা। মাঝে মাঝে টহফবৎ এৎড়ঁহফ কান বন্ধ হয়ে আসে। এরই মধ্যে ফুকুই স্টেশন। হাছে গাওয়া এবং ইসলাম খান সাথে আছে পথ প্রদর্শক হিসেবে। স্টেশনে এসেই মিঃ ওনিশিও তার সাথে ক-জন মহিলা সহ দেখতে পেলাম। তারা ছবি উঠিয়ে স্বাগত জানাল এবং বলল সামান্য একটু হেঁটে গেলেই সামনে তাদের বাস। গিয়ে বাসে বসলাম। অতৃপ্ত চোখ শুধু দেখেই চলল। তারপর ঘবি ুড়ঁৎং ঐড়ঃবষ যেখানে দীর্ঘদিন থাকা হবে। আজ যেভাবে বুকে কষ্টের স্মৃতিএনে দেয় জাপান তখন শুধু খাওয়ার কষ্ঠ তাড়া করে বেড়াত। তাই এত সুখ উপলদ্ধি করতে পারিনি বলে আজ ভাবতে বুকে ব্যাথা করে। ঐড়ঃবষ এসে দেখতে পেলাম, আমাদের নিজস্ব রুম নাম্বারে লাগেজ পৌঁছে গেছে। রুম এ পৌছার পূর্বে সামান্য ব্রিফিং শুনতে হলো একটা হল কক্ষে যেখানে ফুকুইতে থাকা কালীন প্রতিদিন হতো। ওখান থেকে এসে ঘবি ণড়ঁৎং এসে রুমে গেলাম। জড়ড়স গিয়ে ঈষবধহ করে নিজেকে রিলাক্স করলাম। অপূর্ব সুন্দর আরাম প্রিয় জড়ড়স. ঘুমাতে গিয়ে ও ঘুম আসেনা। পর দিন আবার যেতে হবে সকাল ৭টায় ঘড় ষধঃব তবুও নয়ন নিদ্রা শুন্য। ঘড়েিত অষধৎস দেওয়া ছিল। সময়মত ওঠে পরলাম তারপর গোসল সেরে তৈরি হয়ে নিলাম। পাশেই ছিল ব্রিফিং জড়ড়স বিল্ডিং পায়ে হেঁটে দশ মিনিট হবে। কিন্তু গাড়ি থাকায় ভাগ্যে গাড়িতে করেই গিয়েছি প্রতিদিন। খবপঃঁৎব শুনলাম ঋঁশঁর ঢ়ৎবভবপঃঁৎব সম্পর্কে। ফুকুই সম্পর্কে শুলাম। ১৯ই জুলাই গিয়েছিলাম দেখতে। স্কুলে ছাত্রদের সঙ্গে খঁহপয করলাম। সাংবাদিক ছবি ছাপাল চধঢ়বৎ এ। গ্রুপ করে পষধংং দেখলাম উরংধনষব বাচ্চাদের কল ও দেখেছিলাম তাছাড়া সঙ্গীতের ক্লাস করলাম। সবই ছিল আকর্ষণীয়। ছাত্র/ছাত্রীরা ওহফড়ৎ মৎড়ঁহফ এর কক্ষে আমাদের অর্ভ্যথনা দিয়েছিল শারীকি কসরত গান ও বাদ্য যন্ত্র বাজিয়ে। সে এক জন্য রকম অনুভুতি ছিল সেদিন। সেদিন ফুকুই এর টহরাবৎংরঃু এর ঊীপযধহমব সববঃরহম এ অংশগ্রহণ করছিলাম। পরদিন ২০ জুলাই ৯.৪০ ইমাদাতে ারষষধমব এ ড়শধসড়ঃড় শরহফবৎমধৎঃবহ দেখতে গিয়েছিলাম। ছোট ছোট শিশুদের ক্লাস, খেলা, পড়াশুনার ধরণ, লাইবেরী, কম্পিউটার নজর কাড়া সৃ§তিতে অম্লান হয়ে থাকা এখন মনে হচ্ছে আমরা কেন পারিনা তাদের মতো? বাচ্চাদের আঁকা ছবি দিয়ে বিভিন্ন সাজে সাজানো শ্রেণিকক্ষ। আমরা শতশত বছর পিছিয়ে ঐ সব বাচ্চাদের হতে। যাক এত সব প্রশ্নবানে বিদ্ধ হয়েও দেখতে গেলাম ১২.৩০ মিনিটের সময় ঔধঢ়ধহবংব ঢ়ধঢ়বৎ সধশরহম. এক প্রকার পাঠকাঠির মত গাছের ছাল থেকে মন্ড তৈরি করে অনেক দামী কাগজ তৈরি। আমার ও সৌভাগ্য হল কাগজ নিজের হাতে তৈরি করা এবং ড্রাই মেশিনে শুকানো। চারটি ভিউকার্ড নিজে তাতে তৈরি করে শেষ পর্যন্ত নিজ দেশে আনার সুযোগ হয়েছিল। তারপর ঢ়ধঢ়বৎ সধশরহম যাদুঘরে গেলাম। সেখানে ও এই ঐ ঢ়ধঢ়বৎ ঐতিহ্য ইতিহাস এবং বিভিন্ন তৈরিকৃত জিনিস দেখলাম মি. ওনিস আমাদের এক ফাকে আইস ক্রীম খাওয়াল। কারণ প্রখর রোদ ছিল। গ্রামের ১০০ বছরের বৃদ্ধরা কিভাবে সবজি বাজারে বিক্রি করে তা দেখার সৌভাগ্য ও আমাদের হয়েছিল। সেখানে কাগজের তৈরির বিভিন্ন সৌখিন জিনিসপত্র বিক্রির ংযড়ঢ় ছিল প্রচন্ড দামের জন্য নাগালের বাইরে। তাই ইচ্ছা থাকলেও সাধ্য নেই ক্রয়ের। গ্রামের প্রতিটি জিনিস খুটিয়ে দেখিয়ে সন্ধার আগমনের পূর্বেই ঐড়ঃবষ ঘবি ুড়ঁৎং এসে পড়লাম সেদিনকার দিবসের ইতিটেনে। রাত পোহায়ে এল ২১ তারিখে শুভ্র সকাল, প্রচন্ড রৌদ্রের তীব্রতা যেন বাঙালী ভাদ্রের দুপুর। সকাল ৭টায় গাড়িতে উঠলাম ফুকুই ঢ়ৎবভবপঃঁৎব এর ংঁঢ়বৎরহঃবহফবফ ড়ভ ঊফঁপধঃরড়হ এর বক্তৃতা শুনলাম। বোধগম্য কিছু কম হলেও কৌতুহলের শেষ ছিলনা। সবই যেন নতুনত্বের ফুলঝুড়ি সাজানো। ১০টায় ঢুকলাম পযরষফৎবহং ংপরবহপব গঁংরঁস এ প্রথম ভেবেছিলাম যে একটা ংযরঢ় এ চড়ব কিন্তু ভিতরে বিভিন্ন অত্যাধুনিক ঃযরহমং দেখলাম যার জন্য পড়ড়ৎফরহধঃড়ৎ কে ঃযধহশং না দিলে কৃপন মনে হবে। চাঁদের পোষাক, ইন্দোনেশিয়ার জড়ধষ ঘর ও থিয়েটারে বসে মহাকাশের অভিযান না দেখলে বাস্তবে বলে ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। ভাবতে ভাবতে তজিম্বাতে এসেগেছি ঔধঢ়ধহ ংবধ এর মধ্যে ংযরঢ় বেড়ানোর জন্য সমুদ্রে চড়ে সাগরের উত্তাল তরঙ্গে মনেও তরঙ্গ না লেগে পারে না। ভুতের দ্বীপ দেখলাম। জাপানীরা বিশ্বাস করে এ দ্বীপে ভুত থাকে গভীর রাতে অনেক সাহসী লোক ভুত দেখতে আসে জাপান সাগরের এই বিচ্ছিন্ন দীপে আমার ও ভাবতে শরীরে শিহরণ এসে যায় গা ছম ছম করেছিল ভয়ে। সত্যিই ভুত এসে যায় কিনা? প্রায় ঘন্টা খানেক ংযরঢ় এ চড়া ভিন্ন রকম অনুভূতি ছিল তাও আবার জাপান সাগরে আবার ওপারে কিনা দক্ষিণ কোরিয়া। সেদিন সগারের আর আইসক্রীম খাওয়ার অনুভূতি নিয়ে ফিরে এলাম ঘবি ুড়ঁৎং রাতে ঘুমভাল হয় না সময়ের ভিন্নতার কারণে কিন্তু সরংংরহম এর ভয় তাই ঘড়েিত অষধৎস লঁংঃ ঃরসব. তা আবার নৎবধশভধংঃ তো সময় মত হতে হবে। ২২ শে জুলাই দ্রুত ওঠে পড়লাম। একটু গোছানোর জন্য কেননা বাপের বাড়ি যেতে হবে। কাপড় চোপড় ও এরভঃ নিতে হবে ঘুম থেকে ওঠে সব ঠিকঠাক করে খেতে এলাম নাস্তা। কিন্তু ভিতরে প্রচন্ড আতঙ্ক এর জন্য কেমন করে করব সমস্যা এর আর ইত্যাদি ইদ্যাদি সময় যত ঘনিয়ে আসছে। হাট তত বাড়ছে। এমন করে ৩টা বেজে গেল। গিয়ে দেখলাম এককোনে সবে আছে এবং টেবিলে এর নাম খচিত। ধরে নিলাম উনিই আমাকে নিতে এসেছেন। বাঙালী বন্ধুরা এর সারিদ্ধ হয়ে দাড়ালাম একে একে কর তালির মাধ্যমে খার তার নিকট গেলাম। তারপর জিজ্ঞাসা করলাম আমাকে তার পছন্দ হলকিনা সে জাপানী ভাষায় বলল “আমি নাকি সবার চেয়ে সন্দরী” সেজন্য তার খুব পছন্দ আর এটা আমাকে অনবাদ করে শুনাল। আমি খুশী হই কিন্তু ভয় কেন। পিছু ছাড়ছে না বুঝতে পানি না। খাওয়ার পরে আমাদের তিন বিপন ও দুই রাত দিল। আমি এর পিছু পিছু হেঁটে রওয়ানা হলাম। কিছুই বুছিনা শুধু হাঁটছি প্রায় কিলোমিটার। ইশারায় বলছে আসতে এবং মাঝে মাঝে হাত ধরে সাথে নিচ্ছে। ভিতরটা ভয়ে জড়োসরে হয়ে বলছে কোথায় নিয়ে চলছে কে জানে? না - সামনে গিয়ে দেখলাম গাড়ি। পিলারের মতো তাতে কয়েন দিচ্চেছ গাড়িকে নেওয়ার জন্য। বুঝলাম এ দেলে সবই। তাই এখানেও লোকনেই কয়েন দিলেই পাড়ি খুলে দিল গ্যারেজ থেকে তারপর আমাকে পেছনে ওঠতে বলল ঈশারায় আমিও ওঠলাম। ছাড়ল, গাম ছাড়ল কিছুই বুঝিনা। বোকার মত বসা ছাড়া আর বাইরে তাকানো ছাড়া কিছু করার ছিল না। প্রায় বাসার কাছে এসে একটি দেখাল। সাবা কত দ্রুর তা পরে বুঝলাম। বাসার কাছে থামিয়ে দিল গাড়িটা তারপর সাবার সংলগ্ন শাটারটি ওঠছে হাতের ধরা রিমোট দিয়ে। তারপর আমাকে দরজা খুলে গাড়ি হতে নামতে ইশারা করল আমিও তৎসঙ্গে নেমে পড়লাম। খুবই অল্প জায়গায় বাসা শহরের ভিতরেই দু-পাশে রাস্তা। চলে গেছে আশে পাশে বাড়ির করিভোরে। কিছু কাপড় ওড়ছে প্রকৃতির উত্তাপ হাওয়ার যেন লোকালয় শুন্য। গড়িটা ঢুকিয়ে আবার মাটির টেনে দিল ও কাছোন। তারপর ঘরে ঢুকার পালা। ঘরের দরজা খুলার আগেই কুকুরের ঘেউ ঘেউ ধ্বনিতে আৎকে উঠি। কিন্তু বুঝতে মানা তাই স্বাভাবিক আছি। কি অজানা রহস্য, ভয় মনে কাজ করছে বুকটা ধুক ধুক করছিল কি বলব তবুও থাকতে এসেছি কাটাতে হবে তিনদিন এ যেন এক প্রাত্ত চ্যালেঞ্জ। বক্স থেকে কিছু ম্যাগাজিন ও চিঠি পত্র নিয়ে দরজা খুলে দিল। আমাকে সঙ্গে নিয়েই পা বাড়াল। পূর্বে প্রশিক্ষণ মোতাবেক জুতোটা উশ্চিয়ে সোজা করে নিলাম যাছে যেন ভুল না হয়। তারপর ঘরের পরার জুতো নিয়ে দুপা ফেলতেই কলন জাইহানা ছান এই রুম তোমার এই টয়লেট। পছন্দ হয়েছে? জিজ্ঞেস করল। কী উত্তর দেব ভেবে পাচ্ছি না কারণ একা এত বড় কক্ষ পাশে কুকুর দু পাশে রাস্তা বড় অশস্তি নিয়েও বললাম, পছন্দ হয়েছে। তারপর কাঠের বার্ণিশ করা সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় ওঠলাম। জলশূন্য শুধু একটা মোটা তাজা বেড়াল চোখে পড়ল পরিচিত প্রাণী তাই ভয়ইেন। কেউনেই, পাশেরই বারান্দা এবং একটা টিতে ড্রেসিং টেবিল, বড় পর্দার জানালা, সোকেস, আলমিরা সবই আছে কিন্তু কোন খাট নেই। সামনে নিচু টেবিল আমাদের দেশের এর মত। ও বসে পড়ল টাকে সমানে রেখে আমও তাকে নকল করে বসে পড়লাম। তাকে আমার পরিবারের ছবি দেখালাম। পরিচয় বললাম আবারও। বাংলাদেশের সিলেট বিভাগে বাড়ি এট বুঝালাম কুফুই প্রিয়কেকটতার এরমত উদাহরণ টেনে বুঝাতে চেষ্টা করিছি। ক্ষতিয়ে দেখিয়ে কতটুকু বুঝেছে। ধরে নিয়েছি বুঝেছে। দেশ থেকে নেওয়া উপহারটা দিলাম খুশি হয়েছে তারপর গ্রীনটি ও বাঙ্গি খেতে দিল। যে ফল দেশে মুখেও দিতে পারিনি। তবে জাপানের বাঙ্গ খুব মিষ্টি। মাটির কারণে ফলের মিষ্টিও স্বাদ ভিন্ন হয়। তারপর উল্টিয়ে দেখাল আমি বুঝে নিয়েছি খুব নিকটে আবার কে নিয়ে রওয়ানা হলাম সে আমাকে তাহ ধরে টেনে নিয়ে চলল যদি না রাস্তা পার হতে গাড়ি চাপা পড়ি। কারণ অসংখ্য গাড়ি চলাচল জাপানের রাস্তায়। এ গিয়ে ট্রলি আর ঝুড়ি নিলাম আমাকে করতে বলল এসাই ছাকানা আমি পরিচিতি এসাই বা সরজি নিতে বললাম। কিন্তু ওকাসান সব এসাই নিইনি কেন বুঝলাম না। তবে মাছ এবং সরাজ সামান্য নিয়েছে। খুব দ্রুত সেরে সাবার পথে রওয়ানা হলাম। নতুন নতুন জানা অভিজ্ঞতার লিতে এসে জমা পড়ল। আজ স্মৃতির পাতা খুললে এসে নিজেকে প্রচন্ড বোকা মনে হয়। যা হোক হেঠে হেঁটে চললাম বাসায় ফেরার জন্য। ফিরে এসেই এ রান্না। আমি ছুরি দিয়ে সবজি কেটে দিলাম। ফ্রিজ হতে গ্রামের বাড়ি থেকে আনা আমরার পছন্দ কৃত সব সবজি বের করল এবং বলল তুমি যে সব সবজি পছন্দ করেছিলে তা বাসায় ছিলবলে কিনেনি। এটাই ইশারা ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিল। তারকারি কেটে দিলাম আর ভাবলাম হয়তো আজ পেট ভরে খেতে পারব কারণ পরিচিত সবজি তাই ভাজি হলৌ মন্দ না কিন্তু পেয়াজ কেটে সম্ভার দিয়ে সামান্য তেল দিলেও ফাইপেনে নাই লবন, নাই মশলা তদুপরি প্যাকেট দুধের ঝাল। চোখভরে জল আসছে। বলল ঐশী, মনটা হুহু করে কাঁদল আর একসুরে বললাম, হ্যাঁ “ঐশী”। তারপর খাবার পালা সমম্ভবত বিকের ৪টা। খেতে বসেই দু’হাত একত্র করে বলতে হল “ইটা দাকি মাছ” বেতরটা বলে আল্লাহ কি ক্ষমা করবে না। বাষৎ হয়ে তো বলছি আল্লাহ এও মানে মনে কললাম। তারপর খাবার শুরু কিছুই খেতে পারিনি। তবুও তাদেরকে, সত্তোষ্ট করতে একটা চেষ্টা চাড়া আর কিছুই না। শত চেষ্টা করেও গলা পার করতে পারি না। কাঠি দিয়ে চেষ্টা করছি জাপানি আয়ও কে খুশি করা। শত কথার ফুলজুড়ি এসে ভীড় করে মুখে কিন্তু ভাষা নেই। তাই জাপানি জাতির চেয়ে ও সজ বললে কম হবে না। দেখলাম বিভিন্ন চ্যালেন ঘুরিয়ে কোথাও ইংরেজির স্পর্শ নেই। নির্বাক ছবি ছাড়া বুঝার আমার সাধ্য নেই। একেবারে নিশ্চুপ থেকে দেখা সময় কাটানোর সুন্দর পন্থ। আমি কে তার মেয়ে ছেলে স্বামী সবার কথা জানাতে বললাম। সে এলবাম বের করে দেখাল পারিবারিক ছবি ছেলে মাসে বিয়ে করেছে, এখন হানিমুন করতে সুইজারল্যান্ড। বড় মেয়ে নরিয়ে রাত ৮টায় আসবে বলে জালাল। স্বামী কখন আসবেঠিক নেই। সান্ধা প্রায় ঘুনিয়ে আসছে অর্থাৎ পড়ও বিকেল, ¯িœগ্ধ, সজীবঙ্গিন ভালই ভাষার আর খাবার একই সমস্যা তাছাড়া আনন্দ আর উগ্রীবতা অনেক ছিল। করতে সম্মতি চাইলে আমি জিহুকুম জাহাপনা মেন না শব্দ ভুলে যাওয়ার মতই। সম্মতি পেয়ে আমাকে সঙ্গে নিয়ে দোতলা থেকে নিচে নামার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে তা প্রথমে প্রকটা ব্যাগ নিল তার ভিতর কি আছে জানিনে শুধু অসুরণ করে পিছু নিলাম। বারান্দা থেকে কুকুরটি কে ও সঙ্গে নিতে ভুল হয়নি। শিকল ধরে টেনে নিয়ে চলল অজানা। এখন ও কোথায় যাব তবে ধরে নিলাম যেহেতু গোধুলী বেলা বেশী দূরে তো হবেই না। সামান্য এগোতে চোখে পড়ল ছোট্ট একটা পার্ক এখানে অন্য একজন পুরুষ ছোট একটা বাচ্চা সাথে একটা কুকুর। ভাবলাম এটা জাপনী ছোট খাট পাকা করা বেঞ্চও আছে পার্কে কিন্তু বসিনি কারণ কি করবে, কেন? ্এগুলো উত্তর খুজব বলে, ব্যাগ থেকে একটা কাগজ বের করে দিল কুকুর বন্য পশু সুলভ পা দিয়ে টেনে হেছড়ে তাকে পায়খানা সেড়ে নিল আমি ইতবাক পশুও নিদিষ্ট জায়গা চিনে। আমরা কোথায় আছি মানুষ এত সুজ্ঞান সম্পন্ন হয়েও পশুর মত একটা অব্যাস গড়তে পারিনি নিজেকে মনে মনে ধিককার দিতে লাগলাম। আমরা কবে সভ্য হব? কাগজটা মুড়ে ব্যাগে তুলে নিল নির্দিষ্ট স্থানে ফেলবে বলে। তারপর অন্য রাস্তায় নিয়ে চলাল। বাইরে লক্ষ করলাম সব জাপানী অর্থাৎ যাদরে পোষা কুকুর তারা এ কাজের জন্যই হয়তো বিকেলে বের হয়ে যায়। অধিকাংশই মহিলা। আমি তো ভয় পাই কুকুর কারণ নতুন মানুষ দেখে মাঝেই মাঝেই হিং¯্র হয়ে আসে অমি সরে যাই অনেক দূরে। তারপর খাবার এগিয়ে দিলাম। খাবার পর সব কিছু নিয়ে ধুয়ে নির্দিষ্ট জায়গায় বা ট্রে, বাটি, চাপষ্টিক, গ্লাস, হাফপ্লেট ইত্যাদি পরিস্কার করে রাখলাম। সে কাজ দেখে সবাই অবাক এবং কেননা জাপানীরা নিজের কাজ নিজে করতে ভালোবাসে এবং করেও তাই। পরনির্ভরশীল নয়। তারপর ঘুমানোর পালা। ভয় পাচ্ছি আমাকে এই ভোর যদি নীচ তলায় একা একা থাকতে হয়? আমার ঘুমানোর কথা বললে বলল আমার সঙ্গে এ থাকবে। আমি এ শুনে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করলাম। কারণ আমার মনের কথা আল্লাহ শুনেছে তাই। রীতিমত উপরে ওঠে গেলাম। পার্টিশন টেনে আলাদা বানিয়ে দিল। বিছানা পেতে শুতে দিল। হালকা পাতলা বিছানা। খুব আরামের। পাশে বারান্দা বড় দু’টা জানালা। রাতের রাত জাগা পাখির ঘুম নেই আখিতে। শত চেষ্টা করে ও ঘুম আসেনা। কি অজানা ভয় এখনও আমাকে আক্রে ধরছে। এরই মধ্যে বলল । আমি আস্তে কলা সব কিছু বুঝতে পেরেছি। ঘুমকে বলি আয় ঘুম। কিন্তু ঘুমতো আসেনা। ভাল ঘুম না হইলে সকালে আবার মাথা ঘুরাবে এ চিন্তাও মাথায় একে তো খাওয়া নেই তার উপর ঘুম নেই। কত কষ্ট সে তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এগুলো ভাবতে ভাবতে কখন যে হালকা নিদ্রায় তন্দ্রাচ্ছন্ন হলাম তা বুঝতে পরি নাই। সবাই ঘুমে আমি আস্তে আস্তে ওঠে টয়লেট করলাম। এসব শব্দ শুনে ওঠে পড়ল। দেখলাম আলদা বিছানায় শুয়ে আছে। জানি না এটাই তাদের অভ্যাস কিনা কে জানে। সে দিকে আর নজর দেইনি এতটা ক্ষতিয়ে দেখিও নায় দিন যাচ্ছে। বাঙালী রক্ত সারাদিনই কথা বলে দিন যায়। এভাবে বোবা থেকে মনে হচ্ছিল দম বন্ধ হয়ে আসছে। ইতি মধ্যে সবাই ওঠে পড়ল। নান্তা রেডি করল ডিম, পরোটা আরও অনৈক কিছু। নাস্তাটা পেট পুরে খেয়ে সারাদিন, পার করতে হবে তাই খেয়ে নিলাম এবং ঝটপট তৈরি হয়ে নিলাম তারপর গাড়ি ড্রাভিং করে নিয়ে চলল। পথিমধ্যে মনে হল ক্যামেরাটা নিয়ে আসেনি তাই দোকানে ওঠে ক্যামেরা নিল। আমাকে একটা কিনে। প্রথমেই গেলাম দেখতে। সেখানে গিয়ে কিছু বাংলাদেশী বই দেখাল। ফ্যাশন ডিজাইনের একটা বই কিল। বিরাট নাইব্রেরী এমন বড় আমি আর দেখিনি। তারপর আসলাম। দেখতে পাহাড়ি ঝর্ণা অপূর্ব। তবে রাস্তা ঘাট ভাঙ্গা কারণ গত বছর বন্যাতে রাস্তার প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। প্রকৃতির এত নিরবতা, সউচ্চ পানির ধারা আমার মনেও প্রচন্ড আবেগএনে দিল। সেখানে অনেক ছবি ওঠালাম। তারপর উৎসক মন পাহাড়ে ওঠতে চাইছে কারণ সুন্দর সুন্দর সিঁড়ি দেখে। ওযানে ও দেখার রয়েছে অনেক এই প্রশ্ন মনে থেকেই যায় তাই। দাইদেবেচারী আমাকে উঠতে মানা করতে পারেনি। ভাষা নেই বলে সাথে সাথে ওঠেছে। উপরে এসে এপার, ওপার হওয়ার একটা সেতু দেখতে পেলাম, ঝর্ণার সেই হিম শীতল ঠান্ডা কোথা থেকে যে নামছে সে কে জানে। ঝর্ণার কাছাকাছি ওপরে দেখা যাচ্ছে ছোট্ট একটা পুরোনো ঘর। বহু বছর আগে তৈরী ভাষঅর সমস্যা তাই প্রশ্ন ইচ্ছুক মন কিছুই জানতে পারেনি। তখন হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি ভাষা কত সমস্যা। কিছু সময় কাটিয়ে নীচে নামতে চেয়েছি। ওরা দুজন বুঝতে পেরে তিনজনেই খুব ক্লান্ত হয়ে নীচে নামলাম। অবাক দৃষ্টি নেমে দেখলাম রবিউল ভাইকে চিৎকার করে বললাম বাংলায় বললাম ভাই কত দিন থেকে বাংলা বলতে পারছিনে। তার এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিল। তার কে নিয়ে তাদের ক্যামেরায় ছবি উঠাল। তারপর এখান থেকে যাওয়ার পালা। তাই বরা বরের মত যাব বার এর সাথে গিয়ে গাড়িতে চলাম। নিয়ে চলার অন্য এক অজানায়। অনেক উঁচু স্কাউট ভানে নিয়ে চলল। তখনও বুঝতে পারিনি এই ভাবনটা কি? ভিতরে গিয়ে দেখি হাতে তৈরি নানা জিনিসপত্র, খেলার সামগ্রী ইদ্যাদি। সাইন বোর্ডে কি যে লিখা আছে তা বুঝিনি কিছুই জাপানীয়রা এত ইংরেজি ভাষা বিদ্বোধী তা ওখানে গিয়ে চরমভাবে টের পেয়েছি। লোকটা আমার পরিচয় দিল বাংগোরা দেশি সেনছে তাদের বাড়িতে হিসেবে এসেছি। তারা বিভিন্ন জিনিস দেখাতে নিয়ে এসেছে। এ অফিস সম্পর্কে বুঝিয়ে দিতে আমাকে লোকটিকে বলল মে প্রান পনে ইংরেজি বই অন্যান্য দায়িত্বশীল ব্যক্তির সাহায্য নিয়ে বুঝতে চেষ্টা করলাম চেষ্টা চালান। কিন্তু বুঝাতে পারছিল না। আমি অঙ্গভঙ্গি ও চেষ্টায় কিছুটা আঁচ করলাম হয়তো বা ভবন হচ্ছে পারে। জানি না আদৌ এ ধারণা আমার সঠিক ছিল কি না? সব কিছু ঘুরে দেখলাম। ছেলে মেয়েরা দূর হতে আসলে থাকে দু,তলা খাটে, খেলা ধুলার রঞ্জমাদি দেখাল। গেমস দেখলাম ইত্যাদি। তারপর চললাম এখান থেকে ও সাইওনারা দিয়ে। নিয়ে গেল এ তারপর পাহাড়ি পথ বেয়ে দেখতে গেলাম। সেটা তাদের পারিবারিক পূর্ব পুরুষের নামা কিত। হিন্দুদের মত বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান করে তারা এই এর মধ্যে। এদিকে গাড়ি নিয়ে এল এর কাছে তারপর গাড়িতে চড়ে বসলাম। এখন গ্রামে যাব যেখানে রয়েছে। দূর্বল শরীর হলেও দেখার ক্লান্তি আমাকে কখন ও ঘায়েল করতে পারেনি। তাই ইদিক ওদিক করে মাট দেখলাম। সবুজ ধানের ক্ষেতে শুধু সবুজের ছোঁয়া আর পাকা রাস্তা কিছুক্ষণ চলার পর এসে পড়লাম বাড়িটা রাস্তার নিকটে। বিরাট বাড়ি দুটো ঘর জুতো খুলে রুমে ঢুকলাম। দেখি কি যেন কি করছে। দেখে আমাকে একটু আমন্দের হাসি দিল। রৌদ্ধমূর্তি আছে পাশে পুরানো দিনের সাদা কালো ছবি, রঙিন টিভি ও আছে, মুর্তিরকাছে প্রসাদ দেওয়া আছে। নরিরয়ে মুর্তির কাছে বসে প্রার্থনা করল আমাকে বলল আমি বললাম “দানে দেশ” মেলিনে কি যেন খুটিনাটি কাজ করছিল তখন। আমি পানি থেকে চাইলেন যে রান্না ঘর থেকে আসতে চাইল আমিও পিছু নিলাম। দেখে আমাকে বলল আমি বললাম তারপর করিডোর দিয়ে এ গেলাম। একটু প্রাচীন বটে তবে সবকিছুই আছে। আমাদের চেয়ে অনেক গুণে ভাল। কিছু সময় নেওয়ার পর তার সবজির বাগানে নিয়ে গেল। পাশেই রাস্তা দিয়ে হেটে গেলাম মেইন রোডের পাশে তিনি নিচে নেমে গিয়ে টমেটো ক্যাপচিকাস, বাঙ্গি ইত্যাদি কাচি দিয়ে কেটে আমাকে দিল। আমি সবগুলো নিলাম ঝুড়িতে। তাদের সব কিছুই যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন তায় ঢেলে সাজানো। খা খা রোদ তাই খুব দ্রুত চলে এলাম বাসায় আমি বাড়ির আশ পাশ ঘুরে দেখলাম পাশে একটা । লম্বা ঘর তেমন বেড়া নেই এর ভিতরে কি আছে তা দেখতে গেলাম। কেনিয়ে। কৃষিজ যন্ত্রপাতি সব ধরনের কিছুটা আমাদের সঙ্গে মিল আছে বৈকি, সেও বহু পরিষ্কার। উকার আছে। সে সব ব্যবহার করে। এমনি করে দুপুরের খাবার চলে এল। বলেছেন আজ এর মেধ্যে ভাত খাবে। তাই আমি একটি গাড়িতে গেলাম। পরে আসবো এই বাড়িতে তেমন কোন পাহাড়াদার বা শক্ত মজবুত দরজা জানালা নেই তবুও সভ্য জাপানীরা চুরি করার মানসিকতা নেই বোধ হয়। আমাদের দেশে কি হত তা ভেবে আকুল। দেখতে দেখতে এ এসে পড়লাম গাড়ি থেকে নামার পূর্বে ও এসে পড়ল নিয়ে নেমে সবাই একসাথে ঢুকলাম। জাপানে প্রত্যেক খাবার এ খাবার শো সাজানো রয়েছে। এখান থেকে পছন্দ অনুযায়ী অর্তার দেওয়া যায়। খাবার মূল্যও দেয়া আছে, তারা সোবা অর্ডার দিল চিংড়ি মাছ ও কিন্তু খেতে যে পারিনা। নুডুলস জাতীয় সোবা মাসলুম ও আছে পানির মধ্যে । ক্ষিদে পেলেও মুখ রোবক নেই বলে মুথেদিতে পার ছিনে। আমাকে খুব চিন্তা করছে আমার জন্য খেতে পারছিনে বলে। আমি বললাম থাক অসুবিধে নেই। সেদিনকার শত ঘুরা শেষ করে বাসায় ফিরলাম। এবং আমি। গ্রামে ফিরে গেলেন। বাসায় ফিরে বাঙ্গি কেটে দিলেন খেলাম। নিলাম দেখলাম ম্যাপাজিন দেখলাম। বিকাল বেলা কে নিয়ে এ বের হলাম। ফিরে এসে রাত হল। সেদিন ও বরাররের মত ঘুম হচ্ছিল না। তবুও চেষ্টার ক্রটি ছিল না। একটু ভাল ঘুমের জন্য। এমনি করে রাত শেষ সকাল আসল। ঘুম থেকে জেগে শেষে ব্রাশ করে সকালের নাস্তা খেলাম পরিবারের সবার সাথে। আজ ফেরার দিন তাই মনটা খুব খুশী নাগছিল। সকালের খাবার শেষ করে এ গেলাম। গ্রামের আজ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিসব। গ্রামের লোকজন সবাই আগাছা পরিষ্কার করছে গাড়ি থেকে দেখলাম। কিছুক্ষনের মধ্যে ইউনিয়ন অফিসে এলাম। সাথে একটি ও ঊোশ খানা আছে। রান্নার যাবতীয় সাজ সরঞ্জম আছে। খুব রাধুনী ও মহিলা সে কারণে রান্নার দায়িত্ব ছিল তার যদিও বাইরে থেকে এ কনে নিয়ে আসা হয়েছিল। তবও সুপ ও এর দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। আধ ঘন্টার মধ্যেই সকাল লোকজন এসে হাজির। দু,একজন মহিলাও ছিল তাদের হাতে কিছু কাগজ পত্র রয়েছে। ধরে নিলাম গ্রাম্য কিছু হিসাব নিকাস হবে হয়তো। কে আমি তার করছি আমি ট্রেতে করে সুপ পরিবেশন করলাম প্রথমে খেতে চাচ্ছিলাম না কারণ করছিলাম। সাথে আছে কিনা? তাই যাই হোক শেষ পর্যন্ত সকলের উদ্দেশ্য আমাকে পরিচয় করিয়ে দেন। আমি কনিচরী ও ও হাইয়ো গুজরই মাছ বললাম। তখন কি যে জড়তা তা বুঝাতে অক্ষম এখন। এমনি করে তার নিয়ে বাসায় চলে এলাম। কেননা আজ ফিরে যেতে হবে। এসে তার করল। আমি আর ডিম ভাজি এবং সমভরা ভাত ভাজি কেলাম। শুধু বেঁচে থাকার জন্য যা দরকার তাই ছিল খাবার। খাবার খেয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলাম। তাড়াতাড়ি গুছিয়ে নিলাম সবকিছু আমাকে নিয়ে দিবে পূর্বেই বলেছিল। আমি ভেবেছিলাম হয়তো চা খাবার আসর। প্রতিবেশি করেছে হয়তো আমি ধরে নিলাম। এর জন্য একে করে নিচের ঘরে এলাম। ঐ ঘরে ছোট চুলা আছে তাতে নির্দিষ্ট পাত্রে পানি ফুটিয়ে বিভিন্ন নিয়ম কাননের মাধ্যমে চায়ের পাতার পার্ডডার দিয়ে পেয়ালায় পানির সাথে বিভিন্ন কায়দায় করে সেটা আমাকে আর একে খেতে দিলাম খেলাস কিন্তু তাও নিয়ম কানুন এর ভিতর। তারপর আমাকে দিয়ে আবার তৈরি করেন। এর পালা শেষ করে। কিমুনো জন্য তিন তালায় উঠল আমাকে আলমারী থেকে কিমুনো দেখাল একটা পড়বো কারণ আজ রাতে আছে সকল বাঙালী দেরে নিয়ে আমি পছন্দ করে দিলাম কিমুনো। পরে আমাকে একটা বয়ে খাণি নিয়ে লিফটেচড়ে কক্ষে চললাম। রুমে এসে কাপড় ছড়াতেই ফারহানা এলো সে যশোরের বন্ধু। তার খোজ খবর নিলাম। কিছু সময় পড়ে একে একে সব বন্ধুরা চলে এলো। তাদের সাথে মুলাকাত করে তৈরি হতে লাগলাম। ফারহানার শাড়ি পড়লাম। একটু সুন্দর ভাবে সাজলাম বড় টিপ পড়লাম। দেখেতে দেখতে সময় চলে এলো। পাশেই হেটেই যাওয়া যায়। লিফটে ওঠে এ বসলাম কোন এ পার্টি হবে তা জানতে চাইলাম। ওখানে যাওয়া যাবে না কারণ আমাদের আপ্যায়ন করে রুমে ঢুকাবে। কিসে নতুনত্ব তা দেখার জন্য অধীব আগ্রহ। তারা বলল লাইন ধরতে জাপানীরা হাত তালি দিতে থাকবে আমরা পার যাব কাছে গিয়ে বসতে বলল। এভাবেই রূমে ঢুকে আমার এ,কে দেখতে পেলাম। দেখের সলাম। টেবিলটা মনোরম সাজে সজ্জিত দু’দেশের পতাকাও আছে। মত বিনিময় হল। অনেকে বক্তব্য রাখল তাদের মজার মজার অভিজ্ঞতার ফুল ঝুবি নিয়ো একজন ভাধা বুঝার এর কথা জানাল। তারপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেশোন্তবোধক গান গাইলাম ধন ধান্যে পুষ্পেভরা একক ও গাইলাম হাছন রাজার গান। রশিদ গানটি খুব পছন্দ করেছিল। ওঠানো হল। এভাবে বিভিন্ন মজা করে এখন যাবার পালা আর কখন ও দের সাথে দেখা হবেনা। একথা ভাবতেই চোখ গড়িয়ে পানি চলে আসে তবুও যেতে হবে। বিদায় নিয়ে সেদিনের মত চলে এলাম। শুধু বলল আর ক’দিন এখানে আছি বললাম আর ১দিন সে বলল আমাগী কাল রাত ৮টায় আসবেন। রাতটা কাটল মায়া আর মমতায়। মানুষ মানুষের জন্য এটা চরম সত্য। যতই ভাষার ব্যবধান হোক না। এভাবেই দিন নেমে এল। সারা দিন দোকান এখানে সেখানে ঘুরে চলে গেল। রাত নেমে এল ঠিক ৮টায় এল ও আমাকে এলবাস ও ব্যাগ ভর্তি চকলেট দিল। খুশি হয়ে নিলাম। পর দিন ছেড়ে চলে যাব কোনদিন ও দেখব না বুকে টেনে নিয়ে কেঁদে দিল মাথায় হাত বুলিয়ে দিল। আমিও কেদেছি বিদায় দিতে মন চায়নি। এত রাতেই রেলস্টেশন হেঁটে দেখাতে নিয়ে গেল এবং টার একপাশ ঘুরিয়ে নিয়ে এল। ভালই লেগেছে রাতের ফিরে এসে থেকে তারা আমার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেল। সেই যে গেল হয়তো কোনদিন আর দেখব না এটাই চরম সত্য বাস্তব। আজ ২ শে জুলাই বুলেট ট্রেনে চড়ে কুকুই থেকে ইউকোহামা সিটি যাচ্ছি। স্টেশনে বসে আছি প্রায় বহুসময় এর মধ্যেই বুলেট ট্রেন। ছবি ওঠাতে হবে তাই পূর্বে প্রস্তুতিছিল। ট্রেনের সামনে গাড়িয়ে একটা ছবি ওঠালাম। তারপর ট্রেনে চেপে বসি। প্রায় ঘন্টা দেড়েকপর ইউকাহামা সিটিতে পৌছি। তারা অর্থাৎ দায়িত্ব শীল কর্মকর্তা আমাদের নিয়ে যেতে ট্রেনের স্টেশনে পূর্বেই পৌছে ছিল। ট্রেন থেকে নেমেই বিরাট শহর। ফুকুই থেকে আরও বড় বড় দালানের সিটি। কারণ এটা জাপানের বিখ্যাত বন্দর নগরী। বাসে উঠিয়ে খেতে নিয়ে গেল নির্দিষ্ট হোটেল এ। অত্যত্ত অভ্যাধুনিক ভালই লেগেছিল হোটেল এ খেতে। গ্রামীন পরিবেশ গাছপালা ভর্তি দশ তলায়। অপরূপ সুন্দর। তন্দুল রুটি এবং একটু মসলার ছোয়া আছে। তাছাড়া ক্ষিদে তো কম নয়। খাওয়া শেষ করে এ এর চাবি ও লাগেজ নিয়ে চলে গেলাম ৮ তলায়। বাঙালী মেয়েদের পাশাপাশি ছিল এখনো মন ছোটে চলে জাপানের আমায়ে কাশচে। যাওয়ার পূর্বে এর। অর্থাৎ তে চলার সকল পূর্বে প্রস্তুতি বিকেলে ছিল কিন্তু নি¤œ চাপ ছিল এবং সর্তকসংকেত ছিল বলে তা বাতিল করা হয়। এর খাওয়া মোটামুটি ভালই ছিল কারণ প্রতিদিন বিভিন্ন নিয়ে যেত, প্রথম দিন খেলাম ভারতীয় এ শাড়ী পরা রমনী দেখে বুঝতে বাকি নেই যে ভারতীয় নই। পার্শ্ববর্তী দেশ বলে প্রতিবেশি হিসেবে ভালই কদর করে খাওয়াল। পরিবেশ মনে হল জমীন গাছ পালায় সাজানো। বাইরের গুলো আবার খাবার একসাথে টেবিলে দেয়না একটা একটা করে বহু আইমেট ১ থেকে ২ঘন্টা খানেক চলে। সেদিন ছিল তন্দুরী বড়রুটি আর হালকা মসলার মুরগী ভালই ছিল একটু ইন্টুএশিয়ান ছোয়া। মোটামুটি সবাই পেট পুরে খেলাম। আজ নিখতে বসে সনটা ছোটে চলে সেই খোঁজে। আমার জীবনে এর চেয়ে বড় পাওয়া হয়তো হবে না। আসলে আল্লাহর কাছে মাথা নত করতে একটুও ভুল হয় না। তার কৃতজ্ঞতায় আমার আত্মা পঞ্চমুদ্ধ। আর কি থাকতে পারে একটা মানুষের সামান্য জবিনে। আজ ২৭ শেজুলাই। দেখতে যাব। তারওপর মনে হচ্ছে নামের মধ্যেই একটা নতুনত্ব। আসলেই সেটা কেমন। অনেক । কখন দেখব। বাসে পেচে চলে এলাম। কে কেই বা অভিভাবক চেনার উপায় নেই। বিশাল স্কুল মনে হচ্ছিল যেন একটা যাহোক রুমে ঢুকার আগেই জুতা বদলানোর পালা এর হাত ধরে একটা এমন করে হাত টেনে নিয়ে হাটছে ভাবলাম এ বুঝি উনার বাচ্চা। জিজ্ঞেস করতে আর দেরী করিনি কে? উত্তরে বলল তারপর শেষ হয়ে পড়ায় এর সাথে সঙ্গ নিচ্ছে। পাশে একটা হল রুমে আমাদের বসাল। সেখানে দিয়ে সাজানো ছিল। আপ্যায়নের ও ক্রটি বা কমতি নেই। চকলেট কিছুটা জাপানি ওচা ইত্যাদি। বেশি গুলো আবার নিয়ে আসতে হয়েছে। পাশেই এবং আমি নিজের ইচ্ছায় গিয়ে ওঠে দেখলাম কেমন? বলার অপেক্ষা নেই। এমন কিছু নেই যা দের এর উপর নেই। যেন সারাদিন কাজ আর কাজ। এ স্কুলে নাকি এর সময় সবাই এসে আশ্রয় নিয়ে ছিল। তাই স্কুলটা স্থানীয় লোক দের খুব প্রিয় এবং পরিচিত। থেকে বের হয়েই চোখে পড়ল পানির টেপের সামনে ছবির মধ্যে হাত ধুয়ার প্রক্রিয়া দেখানো আছে বাচ্ছারা কিভাবে হাত ধুবে প্রক্রিয়া দেখানো আছে বাচ্চারা কিভাবে হাত ধুবে তা ছবি দেখলেই চলবে। তাছাড়া টেপের গলায় সাবান বাধা আছে নেটের এর ভিতর। আমি হয়তো বুঝতে অক্ষম নই যে তারা কত পরিষ্কার এবং পরিচ্ছন্ন। আমি আমার পিপাসু মন ও চোখ দিয়ে সব কিছু করতে লাগলাম। যেন শিক্ষার শেষ নেই। ভাষার সমস্যা না হলে হয়তো আরও কতকি জানতাম তাই নিজকে অনেক, অপরাধী মনে হতে লাগছিল। জাপানীরা কেনই বা এত ইংরেজি ভাষা বিদ্বেষী? এর সহযোগিতায় সারা স্কুল ঘুরে ঘুরে দেখলাম। নার্সিং ও স্কুলে আছে। জাপানীদের পূর্ব ঐতিহ্য স্মৃতি ও বাচ্চাদের শেখানোর ব্যবস্থা। আগে তাদের বাড়ি ঘর কেমন ছিল তা বাস্তব উপকরণ দিয়ে দেখলাম। তারপর ক্লাসরুমে ঢুকে দেখি বিভিন্ন ধরনের বাচ্চা অর্থাৎ বয়সের তফাৎ প্রশ্ন করে জানলাম এই ক্লাসে বিভিন্ন ক্লাসের বাচ্চা আছে অর্থাৎ দূর্বল ছাত্র ছাত্রীদের এর পড়ানো হচ্ছে। যারা গনিতে দূর্বল তাদের এক সাথে গণিতের দেয়া হয়েছে। এভাবে সাহিত্য, বিজ্ঞান ইত্যাদির ক্লাস ও আছে। ভালই লাগল যে শিক্ষকরা ছুটির মধ্যে ও ক্লাস নিচ্ছে। তারা নাকি ছুটিতে যেতে চায় না। তাদের এত কর্ম ফাঁপি দেই এটা বললে ভুল হবে তবে সাথে আমাদের সরকার ও ফাকি দেয়। কেননা পেটেখেলেই পিঠে সয় তাইনা? যাক চাতক পাখির মত অপেক্ষা আমরা কখন কোনদিন এমন হব? সেদিন কার মত পাঠ চুকিয়ে অফিসে আসলাম তাদের নির্ধারিত কিছু বক্তৃতা শুনে আমাদের দিয়ে চলে এলাম। দুপুরের লাঞ্চ এ তারা চেষ্টা করোছ আমাদের কে হালাল খাবার খাওয়াতে সে সুবাদেই বিভিন্ন মুসলিম এ নিয়ে খাওয়া। তারপর দেখতে এলাম এখানে কিছুটা ডেকেয়ার সেন্টার এরম ত। বাচ্চারা কাগজ দিয়ে জাপানী ঐতিহ্যের পাখি ফুল ইত্যাদি তৈরি করে যাকে ‘ওরি গামি’ বলা হয়। এসব বাচ্চা এখনও স্কুলে ভুর্তি হয়নি। তবে দুই, আড়াই, ও তিন, চার হবে বয়স। বাচ্চাদের কে মা বাবা সকালে দিয়ে যায় আবার নির্ধারিত সময়ে এসে নিয়ে যায়। বিভিন্ন খেলার সামত্রি ও বিল্ডিং সেটও আছে আকর্ষনীয়। আমরা কিছু কিছু শিক্ষক বিভিন্ন বাচ্চাদের সাথে বসে খেলেছি তারাও আমাদের পেয়ে অভিভুত। ছাড়তে চায় না কাছে পেতে চায় আদর পেতে চায় কি যেন বলতে চায় কিসের যেন একটু অভাবও আছে ভাষানেই বলে বলতে পারেনি। এই ক্লাবটা একটা স্কুল তৈরি করেছে। ছবি উঠিয়ে বাচ্চাদের সাথে খেলাধুলা করে সেদিনের সিডিউল মেষ করে আবার গাড়ি করে সেটারে চলে এলাম। সত্যি আজ ভাবলে নিজেকে ধন্য মনে হয়। তাদের এত আপ্যায়ন সুন্দর পরিকল্পনা সত্যিই অতুলনীয়। আজ ২ শে জুলাই সকাল ৭টায় রওয়ানা হলাম বাসে চেপেই। প্রথমেই যেখানে দক্ষিণ কোরিয়ার ও ফিলিপাইন জাপান ও বাংলাদেশী শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে জানব। বিশাল এথমেই একজন শিক্ষক এই সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পরিবেশন করেন তার এর মধ্যে তারপর দক্ষিণ কোরিয়ার ও ফিলিপাইন ও বাংলাদেশী শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে অনেক কিছু জানলাম। আজ এখানে্ি খাবার পালা ভেতরে সবাই একসাথে খেলাম। খাবার শেষে টাওয়ারে চড়াতে নিয়ে এল। এটা নাকি বর্তমান জাপানে সর্বোচ্চ তলা। সব শেষ তলায় এ গেলাম এখান থেকে অনু বিক্ষণ দিয়ে দেখা যায় এমন লিফটে এলাম যা সেকেন্ডে মি বেগে যায়। কান বন্ধ হয়ে আসে। খুব সুন্দর ইকোরয়ামে, জেলি ফিস আছে ছবি ওঠালাম। ১০০ ইয়েন দিয়ে ফুজি দেখতে চেষ্টা করলাম। নিচের গাড়ি গুলো কে মনে হচ্ছে ম্যাচ বাক্স সমতুল্য গাড়ি। ধন্যবাদ দিলাম কে এত সুন্দর একটা পরিকল্পনার জন্য। আজকে দিনের পাঠ এখানে চুকিয়ে আবার তে এসে পড়লাম। মাঝে মাঝে সন্ধায় করতে বসি ভালই লাগে। আজ ২৯ শে জুলাই মিউরা যাব শুনেছি। জাপানী বন্ধুরাও আমাদের সঙ্গে যাবে বলেছে। সকালে নিচে নেমে দেখি জাপানী এসেছে। গোল হয়ে দাঁড়িয়ে তাদের সাথে পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হল। তারপর হাচে গাওয়া বললেন একজন জাপানী বন্ধু ও একজন বাঙালী বন্ধু প্রভাবে গাড়িতে বসতে। আমার পাশে বিশাল দেহী জাপানী বসে গল্প করতে করতে নিউরা এসে পৌছে গেলাম। সাগর পারের ভাড়া করা হয়েছে। বাসে জাপানী বন্ধুরা আনন্দ দায়ক গান, খেলা প্রতিযোগিতা ইত্যাদি। করছিল তাই টা ছিল অত্যন্ত মজাদার চলছিল জাপানে। অত্যন্ত গরম প্রখর রোদ তীব্রতা আমাদের ভাদ্র মাসের মত বোঝি। এরই মাঝে নেমে পড়লাম একে একে সবাই। এর ২টা ভবন। আমরা মূল ভবন ছাড়া অন্য একটি আদালা ভবনে উঠলাম। ভুলে বসেছি পথিমধ্যে দায়িত্ব শীল কর্মকর্তা বললেন তোমাদের জন্য একটা সুখবর সেটা হচ্ছে এ টিকেট কেটেছি। বলে জাপানী বন্ধুরা বাসে চিৎকার করে উঠল আমরা কিছু না বুঝেই তাদের স্বরে সুর মিলালাম। তবে কি তা জানার জন্য মনে প্রশ্ন থেকে গেল। এসে রাতের সিডিউল এবং কিভাবে রাতে ঘুমাব তা ভাগ করে দেয়া হল। আমার ভাগে দুজন জাপানী মেয়ে বন্ধু পড়ল। একজন কে করে তার হাতে খাগি বুঝিয়ে দিল। এসে কাপড় ছাড়লাম। ২টা কিভাবে থাকব তা নিয়ে ভাবনা। খেলার মাধ্যমে বিছানা ঠিক করা হল। আমি খেলার হেরে গেলেও ছোট রেডটি আমাকে দেয়া হল। ১ ফ্রেন্ড নীচে থাকবে বলে ঠিক করে নিল। এর চা খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। এক বন্ধু পানিগরম করে চা তৈরি করে খাওয়াল। এরই ফাকে ঘন্টা দেড়েক সম্পা পা ফোন করে বলল রায়হানা ১টা জিনিস দেখে আস সেটা কি তেমন না দেখলে জাপানে আসাব ষোল আনাই অপূর্ণ থেকে যাবে। বাইরে যাব পড়ন্ত বেলা বন্ধুরা বলল সাগর পারে আমি বললাম তারা দুজন ঝাটপট তৈরি করে নিলাম নিজকে সাথে করে বিলোদকে নিলাম। প্রধান ভবনের তৃতীয় তলায়। সিড়ি বেয়ে উঠছি। জানার আকষর্ণ প্রচন্ড কিছু কিছু মেয়ে লিফটে আপেক্ষা করছে। আমরাও লিফটে উঠলাম। কি দেখলাম এমনও জাগৎ আছে আদিম যুগের কাপড় আবিষ্কার হওয়ার পূর্বের ঘটনা হওয়ার ঘটনা। জানিনা এর উপকরিতা কতটুকু প্রাকৃতিক গরম পানি ১টা তিল পরিমান টুকরা ওনেই কারে। সাথে আবার বাচ্চা আছে। এ দৃশ্য আমার ভাল লাগেনি যদিও সবাই মহিলা। এটা ববর জাতির কাজ বলে আমার চোখে মনে হয়েছে। যাক খুব দ্রুত নেমে পড়লাম কোন মন্তব্যও করলাম না কারণ জাপানী বন্ধুরা আছে। পাছে কিছু মনে করে তাই। তারপর সাগর পারে বেশ দূরে। ভালই লেগেছে বিকালের হাওয়া বালি থেকে ঝিনুকে খোলস এনেছি। ইসলাম মান ও কিছু এনে দিয়েছেন। আজ বসে নিখতে এসব স্মৃতির জন্য মন কেদে ওঠে। হয়তো জীবনে আর এমন আনন্দ আসবে না। প্রায় সন্ধা অর্থাৎ গোধূলিলঙ্গে ওখান থেকে ফিরে এলাম। রাতের বেলায় সুন্দর সুন্দর প্রোগ্রাম আছে। জাপানী চর্চা আর তার ফাঁকে বাঙালি এর বিনিময় একরুমে জাপানি বাচ্চাদের খেলাধুলার সামগ্রী এক রুমে জাপানি লেখার চর্চা টি সিরিমনি কিমোনো পড়ানো ওরিগাসি তৈরি করা ইত্যাদি। নিজের পছন্দ মত যার যা ইচ্ছা তা করা যাবে। আমি ওরিগামি তৈরি ও খেলাধুলার কাক্ষে রইলাম। আবার ওঠেগিয়ে ফাঁকে সাগর জাপানি ভাষায় লিখে আনলাম ভালই উপভোগ করলাম। আমার শাড়ি জাপানি মেয়েকে পড়ানো হল। খুব সুন্দর লেগেছে। এভাবে অনুষ্ঠান শেষ করে ফেলল। রাতে গানের আয়োজন করা হল বাঙালি ইন্টাপ্রেটার এর রুমএ। বেশ রাতে এসে রুমে শুয়ে পড়লাম। জাপানী বন্ধুরা ঘুমাল না তারা এ গেল। আমি চাবি দিয়ে দিলাম। এভাবে কখন রাত কেটে ভার হয়ে পড়ল। আজকে আমরা হলাম হয়ে গণিত পড়ল। দের কিভাবে এ ড়ায় এবং এর কাজ কিভাবে উপস্থাপন করা হয় তাও দেখলাম বাস্তবে আমরা কাজ করে। তাছাড়া ছিল বাঙালি ছাত্ররা কেন ঝড়ে পড়ে? একপর্যায়ে একটা জিজ্ঞাসা করল। ঢাকায় স্কুলে এসে তিনি বাচ্চাদের জিজ্ঞেস করলেন তোমরা বড় হয়ে কি হতে পাও তারা বলল ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার। এটা কেন বলে? আমরা বললাম যৌথ ফেমিলিতে থাকে বলে তারা এসব বড়দের কাছে শুনে থাকে। জাপানী শিশুদের খেলা ধূলা ছাড়া হানাবি একটা মজার উৎসব। রাতে হাঁনাবি করতে গেলাম সাগর পাড়ে। আগুন নিয়ে মজার খেলাহল কিন্তু কাঠি গুলি নিয়ে আসতে ভুল হলো না। সমুদ্র সৈকত নোংরা হবে ভেবে হয় তো। যাক প্রতিটা পরিকল্পনা থেকে শিক্ষার শেষনেই। শুধু শিক্ষা আর শিক্ষা। কি বলব তারা এত সভ্য মানুষ হল কিভাবে। একধরনীর বুঝে এত মানুষ এত ধরণ এত পার্থক্য সত্যি অভিভুত। আমরাওতো পারি নিজেকে একটু পরিবর্তন করতে। পারিনা? আজ শেষ রাত মিউরার জন্য। কে জানে জীবনে আর মিলবে কিনা এমন। খুব সেজিছি কারণ পাটি আছে কিনা তাই। জাপানীরা খুব বন্ধু পরায়ন খেললাম। খুব আনন্দ করলাম সবাই মিলে। এমন সময় গান করার জন্য ব্যাস্ত বাদক ও শিল্পী আনা হল। ফিলিপাইনের। ভাবলাম এদের গাম ভাল লাগবে না। কিন্তু খুব ভাল লেগেছে যা বলার বাহিরে। ফল দিয়ে এমন সুন্দর ডেকোরেশন করা হয়েছে, খাবার থালা যা লিখার ভাষা নেই। সবই নতুনত্বের ছোয়া। এভাবে মজা করে করে রাত পেরিয়ে দিন চলে এল আমরা ও মিউয়া থেকে ইউকোহামা শহরে রওয়ানা দিলাম। এমন সময় রবিউল বলল একটু সামনে ১০০ ইয়েন দিয়ে নাকি মালা পাওয়া যায়। সে একটা এনেছে। আমিও আন তে ছটলাম। পেয়ে ও গেলাম রবিউল ভাই পাওয়ার ব্যবহার করে দিল। সুমিও পেল ২টা চেইন। তারপর ফিরে এসে গাড়িতে বসলাম। মানুষের মায়া মহব্বত আসলে অন্য রকম ওদের জন্য মনটা কাঁদে দেখা হবে না ভেবে। সারা রাস্তা খুব গল্প গুজর কখন যে ইউরেকাহামা এস পড়লাম। পথিমধ্যে নেমে দোকানে গেলাম কিছু কেনাকাটা করলাম ২/৩ জন মিলে। আবার সহ্যার পর সম্পা আপাকেও নিয়ে এলাম। এভাবে রাত কেটে ভোর হল। পরদিন হহেলা আগস্ট হাকনে মাছি নামে একটি জায়গা, পুরোনো ৩০০ বছরের লেক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ও ভারি সুন্দর দেখতে গেলাম। জাহাজে চড়া, হোটেলে খাওয়া ভালই লেগেছে। প্রাকৃতিক রূপ যেন আল্লাহ ঢেলে দিয়েছিলেন ওখানে। তারপর ফুজি মাউন্টেন দেখা আসলেই খুব সুন্দর। এখান লেকে ফেরার পথে একটা তে নিয়ে গিয়েছিল এখানেও শিক্ষনীয় ছিল কারণ বিভিন্ন ছোট ছোট সেপের কাঠ দিয়ে কিভাবে এমন সুন্দর ডিজাইনের কানের, গলার চুরি বক্স সোপিচ বানানো হচ্ছে তা দেখে আশ্চর্য হলাম। জাপানে এই লোকটা নাকি শুধু এই জিনিসটা বানাতে পারে ২য় ব্যক্তি আর নেই। যাই হোক এসব আমাকে অভিভুত ও আকুলিত করত। তারপর সোজা বাসে ওঠে এসে পড়লাম। ইউকোহাম। সেন্টারে আজ আবার জাপানীদের বড় উৎসব হানাবি ঠিক ৫টায় শুরু হবে ৭টায় শেষ হবে। অর্থাৎ আতসবাজি খেলা। সুব সুন্দর জাপানীরা সবাই রাস্তায় বসে বসে দেখছে আর উপভোগ করছে। জাপানী বন্ধুরাও এসেছিল আমাদের দেখতে ভালই লেগেছে। খুব উপভোগ করলাম। ইউকোহামার সব আয়োজন মেষ এবার যাবার পালা সকাল হলেই পরদিন যেতে হবে। কেটিও খুব কাছে তাই বাসে করে রওয়ানা দিলাম। সকালে ব্যাগেজ ডাইন করলাম প্রথমে তারপর অন্য গাড়ীতে উঠলাম সবাই। একে একে সবার কাছ থেকে বিদায়ের পালা চুকিয়ে গাড়িতে চেপে বসলাম। ঘন্টা দুই পরে টেকিও জাইকা সেন্টরে গেলাম। ২ নং গ্রুপের ও বন্ধুরা কদিন যাবৎ বাস করছে। প্রথমে নেমে দেখি কেউ নেই। সন্ধার পর ওরা আসল। তারপর পাকিস্তানি দল ও আসল একে একে সৌদি দল। পরদিন ফ্রি কাজেই বেড়ানোর পালা তার ছেলেকে ও ছেলের বউকে আমার সঙ্গে দেখা করতে বলেছে ওরা ফোন করে আমার সঙ্গে দেখা করে আমাকে সিনজিকু নিয়ে গেল। কয়েকটা ট্রেন বদেিয় ক্যাসেল দেখতে যাওয়া মন্দ নয় ভালই লাগল টা। আবার আমাকে সেন্টারে দিয়ে গেল। বন্দুদের সাথেও ইতিমধ্যে টোকিও শহর বেড়ালাম মধ্যা করে। এর ফাকে জারওয়ারের সঙ্গে দেখা এর ভিতর স্তর সঙ্গে কথা বললাম রুম নাম্বার দিল রাতে ফোন করবে বলেছে কিন্তু আর বলা হল না কখন ঘুমিয়ে পড়ছি বলতে পারি নাই। আজ ৩ই আগস্ট ফেরার ওয়েল খাওয়া দাওয়ার ধুমধাম। সাজগোছ এক কথায় ঢেলে সাজানো হল সব কিছুই। ভাল লেগেছে কারণ বড় বড় কর্মকর্তাগন এসেছে। বাংলাদেশী বাষ্ট্রদূত এসেছিলেন। কি বলব ভাষানেই জাওয়ার বলল বাড়ে কথা বলবে আমি বলেছি ঠিক আছে পার্টি শেষে রুমে ফেরার পর সন্ধা রাতে সে বলল আমাকে ফোন করবে। আমি ভুলে গেলাম কারন সব বাঙালি মেয়েরা বলল আজ শেষ রাত গান বাজনা করে কাটাব আমি ও তাতে কাজি হয়ে গেলাম। মনে হারিয়ে গেল পাকিস্তানি বন্ধুর কথা ভোরে মনে হল। ওর রুম নাম্বর আমার জানাছিল না তাই আর যোগাযোগ করতে পারিনি। সকালে ঘুম থেকে ওঠে দেখলাম ওরা নেই। এই কষ্টটা আমাকে আকুল ও ব্যাকুল করে তোলে। ভাবি শেষ কথা বুঝি এমনই হয়। রও সঙ্গে কথা বললে কিবা হতো? হায়রে সামাজিকতা নিজেকে ধিকার দেই। সেব কারণেই আমার আজ এমন। জায়ওয়ার তুমি জয়ী। তোমার সাথে এ প্রতারণঅর জন্য তোমাকে আমার চিরকাল মনে থাকবে। সময় ঘনিয়ে এসেছে হাছেগাওয়ার গাড়ি হাজির ১নং গাড়ি ২নং গাড়ি এখন যাব একাএকা হাছে গাওয়া নেই। আসলে কিছু কিছু মানুষ হৃদয়ের গভীরে গেয়েঁ রইল যেমন ভালোন্টেয়ার, জারওয়ার, হাছে গাওয়া, দাইদো, ফুকই ইন্টার প্রেটার এদের কথা জীবন ভার মনে থাকবে। বাই বাই দিয়ে দেশের পথে রওয়ানা হলাম। এতদিন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্মৃতিগুলো মহুন মন্দন করতে করতে ৪টায় এসে গেলাম টোকিও নারিতা এয়ারপোট তারপর ওড়াল দিয়ে ব্যাংকক তারপর বাংলাদেশ সত্যিই এ পাওয়া আমার নয়। আল্লাহর অকৃত্রিম ভালবাসা। আমার সকল কষ্টের অবসান এটাই। জাপান আসলেই একটা শান্তিময়নীর। এর বুকে পাখিরা যেমন নির্ভয়ে ঘুমাতে পারে তেমনি মানুষ গুলোও। ‘না’ যেন তারা বলতেই পারে না॥

My Skype lesson published in Microsoft Education Community

Skype Lesson-1 Skype Lesson-2 Skype Lesson-3